44jili অ্যাপ কেন ডাউনলোড করবেন?
বাংলাদেশে এখন স্মার্টফোন ছাড়া একটা দিনও কল্পনা করা কঠিন। সকালে উঠে বিকাশ চেক করা, দুপুরে ক্রিকেটের স্কোর দেখা, রাতে ঘুমানোর আগে ফেসবুক স্ক্রল করা – সব মোবাইলেই হয়। 44jili অ্যাপটা এই দৈনন্দিন রুটিনের একটা অংশ হয়ে উঠেছে অনেকের কাছে। কারণটা সহজ – অ্যাপটি বাংলাদেশের মানুষের ব্যবহারের কথা মাথায় রেখে তৈরি।
ওয়েবসাইটে যা আছে তার সবকিছু অ্যাপেও আছে, কিন্তু অ্যাপে কিছু বাড়তি সুবিধা আছে যা ওয়েবে পাবেন না। পুশ নোটিফিকেশন তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বান্দরবানের রহিমা আপা বলেছিলেন, "আমি অ্যাপের নোটিফিকেশন চালু রেখেছিলাম। হঠাৎ একটা বোনাস অফারের নোটিফিকেশন এলো – সাথে সাথে ঢুকে সেটা ব্যবহার করলাম। ওই বোনাস থেকেই শুরু হয়ে ৳ ৫ লাখের বেশি জিতেছিলাম সেদিন।" ওয়েবসাইটে থাকলে হয়তো সেই অফারটা চোখেই পড়ত না।
অ্যাপের পারফরম্যান্স – লো-এন্ড ফোনেও চলে
একটা বড় সমস্যা হলো অনেক অ্যাপ শুধু দামি ফোনে ভালো চলে। কিন্তু বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ মিড-রেঞ্জ বা বাজেট স্মার্টফোন ব্যবহার করেন। 44jili অ্যাপটি মাত্র ৪৪ MB-এর, এবং এটি Android 6.0 এবং তার উপরের সব ভার্সনে চলে। RAM ২ GB হলেই যথেষ্ট।
অ্যাপটি ডেটা সেভিং মোডেও চলে – ধীর ইন্টারনেটেও লাইভ গেম ঠিকমতো কাজ করে। সিলেটের চা বাগান এলাকা বা পাহাড়ি অঞ্চলে যেখানে নেটওয়ার্ক একটু কম থাকে, সেখানেও 44jili অ্যাপ ব্যবহারযোগ্য। অ্যাপের নিজস্ব ডেটা কম্প্রেশন সিস্টেম আছে যা ব্যাকগ্রাউন্ডে কাজ করে।
বায়োমেট্রিক লগইন – নিরাপত্তার নতুন মাত্রা
44jili অ্যাপে ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং Face ID লগইন আছে। মানে প্রতিবার পাসওয়ার্ড লিখতে হবে না। আঙুল দিলেই বা মুখ দেখালেই অ্যাপ খুলবে। এটা শুধু সুবিধার জন্য না, নিরাপত্তার জন্যও। কেউ আপনার ফোন পেলেও 44jili অ্যাকাউন্টে ঢুকতে পারবে না কারণ আপনার বায়োমেট্রিক না থাকলে লগইন হবে না।
সিলেটের পারভীন বেগম জানালেন, "আমার বড় মেয়ে প্রায়ই আমার ফোন নিয়ে খেলে। কিন্তু 44jili অ্যাপে ফিঙ্গারপ্রিন্ট লক দেওয়া আছে, তাই ও ঢুকতে পারে না। নিশ্চিন্তে ফোন দিতে পারি।"
অ্যাপ এক্সক্লুসিভ অফার: 44jili অ্যাপ থেকে প্রথম ডিপোজিটে ১০% বাড়তি বোনাস পাবেন যা শুধু অ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য। ওয়েবসাইটে এই অফার নেই।
পুশ নোটিফিকেশন – সুযোগ মিস হয় না
44jili অ্যাপের পুশ নোটিফিকেশন সিস্টেমটা অনেকের কাছেই সবচেয়ে পছন্দের ফিচার। নোটিফিকেশন কয়েক ধরনের হয়। প্রথমত, বোনাস নোটিফিকেশন – কোনো নতুন অফার বা ক্যাশব্যাক ঘোষণা হলে। দ্বিতীয়ত, ম্যাচ নোটিফিকেশন – আপনার পছন্দের দল বা স্পোর্ট ইভেন্ট শুরু হওয়ার আগে। তৃতীয়ত, জয় নোটিফিকেশন – স্লট বা গেমে বড় জয়ের পর তাৎক্ষণিক বার্তা। চতুর্থত, পেমেন্ট নোটিফিকেশন – ডিপোজিট বা উইথড্র সম্পন্ন হলে।
এই নোটিফিকেশনগুলো কাস্টমাইজ করা যায়। শুধু ম্যাচ আপডেট চাইলে বাকি বন্ধ রাখতে পারেন। অ্যাকাউন্ট সেটিংসে "নোটিফিকেশন পছন্দ" বিভাগে গিয়ে নিজের মতো সেট করুন।
অ্যাপে ডিপোজিট ও উইথড্র – আরো দ্রুত
44jili অ্যাপে পেমেন্ট প্রক্রিয়াটা ওয়েবের চেয়ে আরো সহজ। বিকাশ বা নগদ অ্যাপ আলাদা করে খুলতে হয় না – 44jili অ্যাপের মধ্যে থেকেই বিকাশ পেমেন্ট গেটওয়ে চালু হয়। মানে একটা অ্যাপ থেকে আরেকটায় যাওয়ার ঝামেলা নেই। ডিপোজিটের পরিমাণ লিখুন, পেমেন্ট গেটওয়ে ওপেন হবে, PIN দিন, হয়ে গেল।
উইথড্রও অনেক দ্রুত। অ্যাপে আঙুলের ছাপ দিয়ে লগইন করা থাকলে উইথড্র রিকোয়েস্টে OTP ছাড়াও বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন করা যায়। কক্সবাজারের সুমাইয়া বলেন, "লটারিতে ৳ ১২ লাখ জেতার পর উইথড্র করতে মাত্র ৫ মিনিট লেগেছে। অ্যাপে সব সেট আপ করা ছিল।"
অফলাইন মোড ও ক্যাশড ডেটা
44jili অ্যাপের একটি কম পরিচিত কিন্তু দরকারি ফিচার হলো অফলাইন মোড। ইন্টারনেট না থাকলেও অ্যাপ খুললে আগের ট্রানজ্যাকশন ইতিহাস, চলতি বোনাসের তথ্য ও গেমের নিয়মাবলি দেখা যায়। নেট ফিরলেই অ্যাপ নিজে থেকে আপডেট হয়। এটা বিশেষত কাজের যখন ট্রেনে বা বাসে নেটওয়ার্ক আসে যায়।
ডার্ক মোড ও চোখের আরাম
44jili অ্যাপের ডিফল্ট থিম ডার্ক – রাতে চোখ ক্লান্ত হয় না। রাত ১১টায় ক্রিকেট বেটিং করার সময় উজ্জ্বল সাদা স্ক্রিন চোখে লাগে না। চাইলে সেটিংস থেকে লাইট মোডও চালু করা যায়। বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ৯০% এর বেশি ডার্ক মোডেই থাকেন কারণ রাতের দিকেই সবচেয়ে বেশি খেলা হয়।
অ্যাপটা ডাউনলোড করার আগে ভেবেছিলাম হয়তো জটিল হবে। কিন্তু ইন্সটল করার ১০ মিনিটের মধ্যেই প্রথম গেম খেলে ফেললাম। ইন্টারফেস এতটাই সহজ যে কাউকে জিজ্ঞেস করতে হয়নি।